পানছড়ি প্রতিবেদক

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার পানছড়ির যৌথ খামার এলাকায় সেটেলার বাঙ্গালী কর্তৃক প্রান্তিক পাহাড়ী জমি বেদখলের অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, পানছড়ির সাঁওতাল পাড়া নিবাসী জাহাঙ্গীর আলম, পিতা- বাদশা মিয়া জোরপূর্বকভাবেই বাঁধ নির্মাণ করে পাহাড়ী জমি বেদখল করেছেন। জমির মালিক নীল মোহন চাকমা, পিতা- শশী মোহন চাকমা।
জমির মালিকের সাথে যোগাযোগ করে জানা যায়, কয়েক বছর আগে জমি বেদখলকারী জাহাঙ্গীর আলম এক জুম্মর কাছ থেকে যৌথ খামার এলাকায় বাগানসহ টিলা ক্রয় করেন। চলতি বছরে বাগানের গাছগুলো ২০ লক্ষ টাকা দামে বিক্রয় করেন। জাহাঙ্গীর আলম তার ক্রয়ক্রিত ভূমির পাশে পতিত ১৫ শতক পাহাড়ী জমিতে গতকাল (০৮ এপ্রিল ২০২১) জোরপূর্বকভাবে বাঁধ নির্মাণ করেন। গত ২০১৯ সালেও এই একই জায়গায় জাহাঙ্গীর আলম জোরপূর্বকভাবে বাঁধ নির্মাণের চেষ্টা করেন বলে জানা যায়। এতে জমির মালিক লিখিত আকারে পানছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করলে তার নির্দেশে বাঁধটি ভেঙে ফেলা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, জাহাঙ্গীর আলম মাছ চাষ করার জন্যই জোরপূর্বকভাবে বাঁধ নির্মাণ করেছেন।
জমি বেখলের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এই জমি বেদখলের বিষয়ে বিভিন্ন জনে বিভিন্ন মন্তব্য করে যাচ্ছেন। পানছড়ি উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রত্না তঞ্চঙ্গ্যাঁ তার ফেসবুকে বেদখলের বিষয়টি তুলে ধরে নিন্দা জানান এবং এ বিষয়ে প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করেন।